বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল

by Admin
Back

০১:যে ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা
হয় তা-অর্থকরী ফসল।
০১:অর্থকরী ফসল হলোঃ-
পাট,চা,আখ,তামাক,রেশম,রাবার এবং তুলা অন্যতম।
০৩:বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল-পাট(Jute).
০৪:পাট উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষে আছে-ভারত।
০৫:পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-২য়।
০৬:বাংলাদেশে পাট উৎপাদন হয়-পৃথিবীর প্রায় এক-
তৃতীয়াংশ।
০৭:পাট ৩ প্রকার-সাদা, তোষা এবং মেসতা।
০৮:উন্নত মানের আশ উৎপাদনে ব্যবহার হয়-তোষা
পাট।
০৯:পাটের জিন বিন্যাস আবিষ্কার করেন-বাংলাদেশী
বিজ্ঞানী ড.মাকসুদুল আলম(২০১০ সালে)।
১০:বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ পাটবলয়-ময়মনসিংহ-ঢাকা-
কুমিল্লা অঞ্চল।
১১:পাট উৎপাদনে বিখ্যাত-ফরিদপুর।
১২:জুটন কি?-পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরী কাপর।
১৩:জুটন তৈরী-৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলা থেকে।
১৪:জুটন আবিষ্কারক – ড.মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
১৫:একটি কাচা পাটের গাইটের ওজন-সাড়ে চার মণ।
১৬:বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল-চা(Tee).
১৭:চা’এর আদিবাস-চীন।
১৮:বাংলাদেশে প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়-১৮৪০
সালে সিলেটের মালনিছড়ায়।
১৯:চা চাষের জন্য উপযোগী -পানি নিষ্কাশন
যোগ্য, জৈব মিশ্রিত, উর্বর দো-আশ মাটির উঁচু ও ঢালু
জমি, ১০-১৭ ডিগ্রি সে.সি. তাপমাত্রা, ২৫০ সে.মি.
বৃষ্টিপাত।
২০:বাংলাদেশে বর্তমানে চা বাগান-১৬৩ টা।
২১:সবচেয়ে বেশি উৎপাদন কৃত চা হলো-
মৌলভীবাজার জেলার।
২২:মৌলভীবাজারে চা বাগান অাছে-৯০ টি।
২৩:বানিজ্যিক ভাবে চা চাষ শুরু হয়-১৮৫৭ সাল থেকে।
২৪:বাংলাদেশে প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু
হয়েছে-পঞ্চগড়।
২৫:চা উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-১০ম।
২৬:চা রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-১৫
তম।
২৭:তামাক(Tobacco) এর জন্য বিখ্যাত-
রংপুর,দিনাজপুর,রাজশাহী ও অন্যান্য।
২৮:আখ(Sugarcane) এর জন্য বিখ্যাত-
রংপুর,দিনাজপুর,রাজশাহী ও অন্যান্য।
২৯:আখ উৎপাদন হয়-চিনি তৈরীতে কাচামাল হিসেবে।
৩০:তুলা(Cotton)এর জন্য বিখ্যাত – যশোর, কুষ্টিয়া,
দিনাজপুর, রংপুর।
৩১:তুলার উন্নত জাত-রুপালী ও ডেলফোজ।
৩২:রেশম উৎপাদিত হয়-রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে।
৩৩:রাবারের জন্য বিখ্যাত – পার্বত্য চট্রগ্রাম ও
সিলেট।
৩৪:প্রথম রাবার বাগান করা হয়-কক্সবাজারের রামুতে
(১৯৬১ সালে)।
write-up: Wazid Sami